ময়মনসিংহে প্রধানমন্ত্রী

‘২১০০ সাল পর্যন্ত আমাদের উন্নয়নের পরিকল্পনা আছে’

সিটিএন ডেস্ক

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলেই উন্নয়ন হয়, কোন অন্যায় অত্যাচার হয় না। তাই আবারও আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশ স্বীকৃতি পেয়েছে। জাতির পিতার ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। ২০২০ সাল জাতির পিতার জন্ম শতবার্ষিকী এবং ২০২১ সাল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী আমরা উদযাপন করব। ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সাল মুজিব বর্ষ হিসেবে আমরা ঘোষণা দিয়েছি।

এরই মধ্যে বাংলাদেশ হবে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১০০ সাল পর্যন্ত আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনা করা আছে। আপনারা হাত তুলে ওয়াদা করুন, এই ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আপনারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী আজ শুক্রবার (২ নভেম্বর) বিকালে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ মাঠে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে এসব কথা বলেন।

জনসভায় উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার কোনও চাওয়া-পাওয়া নাই। বিদায়ের আগে শুধু এই কথা বলতে চাই- আপনাদের সেবা করাই আমার কাজ। বক্তব্যের শেষে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে কাব্যিক ছন্দে বলেন, রিক্ত আমি, নিঃস্ব আমি দেবার কিছু নাই আছে শুধু ভালোবাসা দিয়ে গেলাম তাই।

জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধামুক্ত দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়তে চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে উন্নত দেশ।

তিনি বলেন, আমরা ময়মনসিংহ বিভাগ করে দিয়েছি। এখানেই থেমে থাকলে চলবে না বিভাগ সুন্দরভাবে গড়তে হবে। বিভাগের কাজ সুন্দরভাবে করার জন্য সকলের সহযোগীতা চান প্রধানমন্ত্রী।

এর আগে মঞ্চের পাশে ১৯৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। বক্তব্যের শুরুতেই জাতির জনককে স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, সদ্য স্বাধীন একটি দেশকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়। বাবা-মা-ভাই সবাইকে হারিয়েছি। মানুষ তার আপনজনকে হত্যার বিচার চাইতে পারে, আমাদের সেই বিচার চাওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়নি। ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বন্ধ করতে চেয়েছিল জিয়াউর রহমান।

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অবর্ণনীয় নির্যাতন করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু ২০০১ সালে ষড়যন্ত্র করে আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হলো না। সেসময় ক্ষমতায় এসে বিএনপি-জামায়াত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করে। এই ময়মনসিংহে তারা পাকিস্তানি বাহিনীর মতো অত্যাচার করেছিল। ২০০৮ সাল পর্যন্ত এ দেশকে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

২০১৪ সালে নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি মানুষ পুড়িয়ে মারে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা ৫শ’ মানুষকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। এই বিএনপি ক্ষমতায় এসে নির্যাতন করে, আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে কোনো নির্যাতন করে না, দেশের উন্নয়ন করে, মানুষের কল্যাণ করে।

তিনি সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি সবিস্তারে তুলে ধরে বলেন, আমরা ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার সময় দেশের দারিদ্র্য যেখানে ৪০ শতাংশ ছিল, তা এই ১০ বছরে ২১ ভাগে নেমে এসেছে। আপনাদের সহযোগিতা চাই। আগে যেভাবে ভোট দিয়েছেন, আগামী দিনেও সেভাবে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আমাদের সহযোগিতা করবেন, যেন দারিদ্র্যসীমা ৫-৬ ভাগ কমাতে পারি।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পূর্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, কৃষি মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, ডা. দীপু মনি, মীর্জা আযম এমপিসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনিসংহ জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট জহিরুল হক খোকা। জুমার নামাজের পর পরই মঞ্চে ওঠেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতারা।

রোদ উপেক্ষা করে সকাল ১০টা থেকে মিছিলে মিছিলে কানায় কানায় ভরতে শুরু করে ঐতিহাসিক সার্কিট হাউজ মাঠ। কেন্দ্রীয় নেতাদের নজর কাড়তে মিছিলে ভিন্ন মাত্রা যোগ-করেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। তিল ধারনের ঠাই ছিল না সার্কিট হাউজ মাঠে। আশে-পাশের রাস্তাগুলোও লোকে লোকারণ্য ছিল। ২০১৩ সালের জুনে সর্বশেষ ময়মনসিংহ এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় এদিন উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা প্রকল্পগুলো এক এক করে উল্লেখ করেন। মোট ১৯৬টি উন্নয়ন প্রকল্পের মধ্যে ১০৩টির উদ্বোধন ও ৯৩টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রকল্পগুলো হচ্ছে- ত্রিশালের বালিপাড়ায় ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর শহীদ রফিক উদ্দিন ব্রিজ, গফরগাঁও উপজেলার সালটিয়া-হাজিগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ বাজার সড়কে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ৮১০ মিটার ব্রিজ নির্মাণ, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের ১০ তলা ভিতের ওপর ৩ তলা বিশিষ্ট ছাত্র হোস্টেল নির্মাণ, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা-এনএসআইয়ের কার্যালয়, বিএসটিআই কার্যালয় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন পরিদফতর অফিস নির্মাণ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য দুই তলা বিশিষ্ট হোস্টেল নির্মাণ, ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারে মহিলা কারারক্ষীদের জন্য আবাসিক ভবন নির্মাণ, আলমগীর মনুসর মিন্টু কলেজ, নাসিরাবাদ কলেজ, ভালুকা ডিগ্রি কলেজ, গৌরীপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজ, জিকেবি কলেজ, নান্দাইল উপজেলার মশুলি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, নান্দাইলে সমুর্ত জাহান মহিলা কলেজ, নান্দাইলে খুররম খান চৌধুরী কলেজ, নান্দাইল শহীদ স্মৃতি আদর্শ কলেজ, ঈশ্বরগঞ্জের উচাখিলা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ এবং আঠারবাড়ি ডিগ্রি কলেজের চারতলা বিশিষ্ট নব নির্মিত একাডেমিক ভবন, ময়মনসিংহ জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর ভবনণ, সরকারি আনন্দ মোহন কলেজের ১৩২ সিটের পাঁচ তলা ছাত্রী হোস্টেল, ঈশ্বরগঞ্জে ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটোরিয়াম কাম কমিউনিটি সেন্টার, শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ময়মনসিংহের সদর ও ত্রিশাল উপজেলা, ভালুকা, ত্রিশাল, ফুলবাড়িয়া, মুক্তাগাছা ও গৌরীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, ধোবাউড়া ও নান্দাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা ১০৩টি প্রকল্প হচ্ছে- নবসৃষ্ট ময়মনসিংহ বিভাগের নতুন বিভাগীয় শহর, বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়, বিভাগীয় স্টেডিয়াম, বিভাগীয় সার্কিট হাউস, বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার, আরআরএফ ময়মনসিংহ রেঞ্জ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদ খনন, ব্রহ্মপুত্র নদের কেওয়াটখালিতে ব্রিজ, ময়মনসিংহে হাইটেক পার্ক, মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, সমাজ সেবা কমপ্লেক্স, বিআরটিসির ডিপো কাম ট্রেনিং সেন্টার, ময়মনসিংহ সদরের চরসিরতায় ডা. মুশফিকুর রহমান শুভ মেমোরিয়াল ইসলামিক মিশন হাসপাতাল, ময়মনসিংহ নেত্রকোনা সড়ক উন্নয়ন, সীমান্ত সড়ক (ময়মনসিংহ-নেত্রকোনা অংশ), বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গৌরীপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, ময়মনসিংহ কেন্দ্রীয় কারাগারের সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন, গফরগাঁও-বরমী-মাওনা সড়ক উন্নয়ন, ত্রিশাল-বালিপাড়া-নান্দাইল সড়ক উন্নয়ন, জামালপুর-চেচুয়া-মুক্তাগাছা সড়ক উন্নয়ন, ময়মনসিংহ-গফরগাঁও-টোক সড়কের বানার নদীতে ব্রিজ, ঈশ্বরগঞ্জে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন, তারাকান্দা উপজেলা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, সরকারি আনন্দ মোহন কলেজে ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ময়মনসিংহে ৩৬০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র, ময়মনসিংহের সুতিয়াখালিতে ৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুত উৎপাদন কেন্দ্র, নান্দাইলে আনোয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী মহিলা কলেজের চার তলা একাডেমিক ভবন, ধোবাউড়ায় টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাঁচ তলা একাডেমিক ভবন, চার তলা প্রশাসনিক ও এক তলা বিশিষ্ট ওয়ার্কসপ, নান্দাইলে নরসুন্দা নদীর বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প, তারাকান্দা উপজেলার কাকনি-শ্যামগঞ্জ সড়ক, ফুলবাড়িয়া উপজেলার কৈয়ারচালা-সাগরদীঘি সড়ক, ত্রিশাল উপজেলার হদ্দের ভিটা-কালবি বাজার সড়ক, ভালুকা উপজেলার ভালুকা-গফরগাঁও-ধলিয়া সড়ক উন্নয়ন এবং ভালুকা-গফরগাঁও-হোসেনপুর সড়কসহ জেলা মহাসড়কের যথাযথ মান উন্নয়ন ও প্রশস্থকরণ প্রকল্প, নান্দাইল, হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলায় মডেল মসজিদ নির্মাণ প্রকল্প।

নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুরের উল্লেখযোগ্য প্রকল্পসমূহের মধ্যে রয়েছে- নেত্রকোনায় শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিক্যাল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন, নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, নেত্রকোনা আধুনিক স্টেডিয়াম, নেত্রকোনা যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কেন্দুয়া ৫০০ আসন বিশিষ্ট অডিটরিয়াম কাম মাল্টিপারপাস হল।

এ ছাড়া মোহনগঞ্জে ৫০০ আসনের অডিটোয়িরাম নির্মাণ, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও শৈলজারঞ্জন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। জামালপুরের ইসলামপুরে শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি, জামালপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, জামালপুরে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জামালপুরের মাদারগঞ্জে শেখ হাসিনা স্পেশালাইজড জুট টেক্সটাইল মিল, জামালপুরের মেলান্দহে শেখ হাসিনা টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও জামালপুরের মাদারগঞ্জে শেখ রাসেল টেক্সটাইল ইনষ্টিটিউট, জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ মেগাওয়াট সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট, ইউনাইটেড জামালপুর পাওয়ার লিমিটেড এর ১১৫ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট প্রকল্প, হাইটেক পার্ক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল,জামালপুর নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, জামালপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ও জামালপুর-জয়দেবপুর রেললাইন সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের।

শেরপুর সদর হাসপাতালকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ প্রকল্প, শেরপুর পিটিআই কমপ্লেক্স ভবন, কারিগরি ট্রেনিং সেন্টার-টিটিসি, চন্দ্রকোনায় পুলিশ ফাঁড়ি নির্মাণ, নালিতাবাড়িতে কৃষকসেবা কেন্দ্র, নকলায় ভোগাই নদীর ওপর রাবার ড্যাম নির্মাণ, নকলা-নালিতাবাড়ি-নাকুগাঁও স্থলবন্দর সড়ক এবং নকলা-নালিতাবাড়ি চারলেন সড়কের উদ্ধোধন ও শেরপুর-জামালপুর বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।


শেয়ার করুন