রোহিঙ্গাদের কারণে আমরা কখন ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সেবা পাব!

রোহিঙ্গাদের কারণে স্থানীয়দের ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর বিড়ম্ভবনার শেষ নেই। অতিসত্বর ত্রুটিপূর্ণ এলাকা গুলোতে বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও ইন্টারনেট সেবা (থ্রী জি ও,ফোর জি) চালুর জোর দাবী জানাচ্ছি।

বিশেষ করে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়ন আর উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে ইন্টারনেট সমস্যা বেশি প্রকট একেবারে জিরো পর্যায়ে বলা যায় কিছু গ্রাম্য এলাকাতে এক নাগারে কয়েকটা কোম্পানির কোন ধরনের (টু জি) নেটওয়ার্ক ও পাওয়া যায়না যেমন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রাম উলুবনিয়া, মনিরঘোনা, কাটাখালী, কেরুনতলী তুলাতলী, লম্বাবিল ইত্যাদি। আর উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নে বটতলী,ফারিবিল,পালংখালী বাজার থাইংখালী, ববালুখালী ইত্যাদি। এসব এলাকাতে গুলোতে রবি আছেত গ্রামিণফোন নাই গ্রামিণফোন আছেত বাংলালিংক নাই।
ডিজিটাল এই যোগে গ্রামগন্জেরর সাধরণ মানুষ বর্তমান সময়ে প্রিন্ট মিডিয়া ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার চাইতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম কেই বেশি গুরুত্বারুপ করে সাধরণ মানুষ এই বৈশ্বিক ক্রান্তিলগ্নে প্রবাসে থাকা তাদের আত্বীয় স্বজনের খোজ খবর নিতে এখন ইমু,ওয়াটস্যাপ,ম্যাসান্জার এর উপর বেশি নির্ভরশীল।
এ ই সুযোগে কিছু অসাধু wifi ব্যাবসায়ীর কাছে এসব এলাকার মানুষ জিম্মি। এই ব্যায়বহুল wifi সাধরণত অনেকের পক্ষে ব্যাবহার করা সম্ভব পর হয়ে ওঠেনা।

বিধায় বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনার ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার ও জেলা প্রসাশনের অনেক মহা মুল্যবান গুরুত্বপুর্ণ দিক নির্দেশনা মুলক তথ্য এসব এলাকার মানুষেরর কাছে সাধরণত পৌছতে অনেকটা সময় লেগে যায়। সঠিক তথ্য যতা সময়ে না পৌছাতে অনেক সময় সাধরণ মানুষের মাঝে গুজবের সৃষ্টি হয়।

পরিশেষে উপরোক্ত বিষয়ের উপর বৈশ্বিক করোনার এই ক্রান্তিলগ্নের সময়ের কথা বিবেচনা করে ক্রুটিপূর্ণ এলাকা গুলোতে সাময়িক সময়ের জন্য ইন্টারনেট সেবা চালু করে দেওয়ার জন্য মহামাণ্য জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।
এবং উপরে উল্লেখিত বিষয়ের উপর লেখালেখি করে দ্রুত বাস্তবায়ন এর জন্য অগ্রনী ভুমিকা রাখার জন্য জাতীর বিবেক স্থানিয় অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়া সাংবাদিক ভাইদের বিনিত প্রতি অনোরোধ জানাচ্ছি।।

নুরুল বশর
পিতাঃ বজল মিয়া
উলুবনিয়া,হোয়াইক্যং,টেকনাফ, কক্সবাজার


শেয়ার করুন