দেখা হওয়ার ২০ দিনের মধ্যে বিয়ে করি আমরা

9666-400x266সিটিএন ডেস্ক:
সম্প্রতি বিয়ে করেছেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী ইলিয়াস। মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্রুকলিনে মেডিক্যাল সায়েন্সের তৃতীয় বর্ষে পড়ছেন। বলা যায় প্রেমের বিয়ে। ইলিয়াসের বিয়ের পেছনের গল্প :-
এ বছরের সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি কনসার্টে অংশ নিতে যাই। সেখানে খুব ব্যস্ত সময়ই কাটাচ্ছিলাম। এর মাঝেই দেখা হয়ে যায় নিশাত তাবাসসুমের সাথে। দেখাটাও একটা নাটকীয় বিষয় ছিল। নিউ ইয়র্কের ব্রোনক্সে আমার কনসার্ট ছিল। সেই কনসার্টে সে আসে। ২০ সেপ্টেম্বরের কনসার্টের দিন। সেখানেই আমাদের প্রথম দেখা। যদিও তার আগে গত দেড় বছর ধরে ফেসবুকে পরিচয় ছিল। সেই দেখা হওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা বন্ধুই ছিলাম। বলা যায় অনেক ভালো বন্ধু কেননা ও সবকিছুই আমার সাথে শেয়ার করতো। আমিও আমার নিজের বিষয় গুলো তাঁর সাথে শেয়ার করতাম। সেই কনসার্টে প্রথম দেখা হওয়ার পর সেদিনই কথা হয়। সামনাসামনি কথা। প্রজন্মের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ইলিয়াস নিউ ইয়র্কে বিয়ের কাজ সেরে দেশে ফিরেছেন। এরপর প্রথম দেখা করার অভিজ্ঞতাটা এভাবেই কালের কণ্ঠের কাছে বর্ণনা করলেন।

প্রথম দেখা-প্রথম প্রেম কিন্তু এত দ্রুত বিয়ে? ইলিয়াস বলেন, আসলে সেই দেখা হওয়ার পর থেকে আমাদের বন্ধুত্বের সম্পর্কটা প্রেমে রূপ নেয়। বলা যায় পরস্পরের প্রেমে পড়ে যাই আমরা। আর আমিও তখন নিউ ইয়র্ক থেকে এদিক সেদিক কনসার্ট নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু আমাদের মধ্যে যোগাযোগ ছিল। কথা হতো, চ্যাটিং হতো। চলছে তো চলছেই। এরমধ্যেই তাঁর মধ্যে একটু ঈর্ষা, অভিমান জন্ম নেয়, কেন না বিভিন্ন কনসার্টে যাচ্ছি। সেখানে আমার মেয়ে ভক্তরা আমাকে অভিবাদন জানাচ্ছে, আমার সাথে দেখা করছে। আর এসব কারণেই সে নিজেই বিয়ের কথাটা আগেই বলে ফেলে। যেহেতু আমিও ইতোমধ্যে তাঁকে প্রচ- ভালোবেসে ফেলি, সেহেতু আমার তো কোনো আপত্তি নেই। আমি তাঁকে বাসায় জানাতে বললাম। সে বাসায় জানালো, আমিও বাসায় জানালাম। ওর পরিবার চাচ্ছিল আমরা যেন দেশে ফিরে বিয়ে করি। কিন্তু ও চাচ্ছিল যেন আমরা নিউ ইয়র্কেই বিয়ে করি। কি আর করা, আমরা ১১ অক্টোবর দুজন বিয়ে করে ফেললাম। এইতো।

দেখা হওয়ার ২০ দিনের মধ্যে বিয়ে করি আমরা
মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানেই বিয়ে? এমন প্রশ্নের জবাবে ইলিয়াস হাসতে হাসতে বলেন, দিনটা ফ্যাক্টর না। আসলেই আমরা পরস্পরকে ভালোবেসে হয়তো অনেক আগেই। হয়তো আমরা এই বিষয়টাই নিজেদের মধ্যে শেয়ার করতে পারি নি। কিন্তু যখন বিষয়টা আমরা সিরিয়াস উপলব্ধি করি তখনই বুঝতে পারি যে আমরা আমাদের দুজনকে ছাড়া আমরা থাকতে পারছি না। তাই হয়তো দেখা হওয়ার ২০ দিনের মধ্যেই বিয়েটা করে ফেলি। বিয়ের পরের ফিলিংসটা কেমন? ইলিয়াস বলেন, আমি আসলে বর্ণনা করতে পারবো না। অদ্ভুত একটা ভালোলাগা আমাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। কিন্তু এরচেয়ে বিরহটাই এখন বেশি অনুভব করছি। কেন না সে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে আর আমি ঢাকায়।

কালের কণ্ঠ


শেয়ার করুন