টেকনাফে অবৈধ ইটভাটায় ১৯ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

টেকনাফে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনার দায়ে ৫টি ভাটার মালিককে ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত। উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় বুধবার এ অভিযান চালান পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন।

এর মধ্যে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আবুল হাশেমের মালিকানাধীন এএইচবি ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা, গিয়াস উদ্দিনের মালিকানাধীন এসএমবি ব্রিকসকে তিন লাখ, জুনাইদ আলীর মালিকানাধীন এমআরবি ব্রিকসকে তিন লাখ, মো. আবদুল্লাহর মালিকানাধীন এআরবি ব্রিকসকে তিন লাখ টাকা এবং মীর কাশেমের মালিকানাধীন এমকেবি ব্রিকসকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

বনাঞ্চলের আশপাশে ভাটাগুলো স্থাপন করে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন করা হচ্ছিল।
পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের উপপরিচালক শেখ মো. নাজমুল হুদা বলেন, জরিমানা আদায় করা পাঁচটি ইটভাটার কোনোটির পরিবেশ ছাড়পত্র ছিল না। বনাঞ্চলের আশপাশে ভাটাগুলো স্থাপন করে অবৈধভাবে ইট উৎপাদন করা হচ্ছিল।

অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর, পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার চকরিয়ায় অভিযান চালিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরীর একটি অবৈধ ইটভাটা আংশিক ধ্বংস করে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

কক্সবাজারের পরিবেশবিষয়ক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘এনভায়রনমেন্ট পিপল’–এর প্রধান নির্বাহী রাশেদুল মজিদ বলেন, কক্সবাজারে তিন ভাগের দুই ভাগ ইটভাটা অবৈধ। পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এসব ইটভাটা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এসব ইটভাটা মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ করছে। কিন্তু স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ ইটভাটা বন্ধে আন্তরিক নয়। অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস না করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, অবৈধ ইটভাটাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করলে বনাঞ্চল উজাড় রোধের পাশাপাশি পরিবেশ–প্রতিবেশও রক্ষা পাবে।


শেয়ার করুন