জেলা ছাত্রলীগের সম্পাদক পদে আসতে দৌড়ঝাপে ব্যস্ত যুগ্ম সম্পাদকরা

BSLনিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কক্সবাজার জেলার শাখার সাধারণ সম্পদক জনপ্রতিনিধি হওয়ার পর থেকেই তার পদটির দিকে তাকিয়ে আছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকরা। কমিটিতে একাধীক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থাকার কারণে বর্তমানে তাদের মধ্যে একটি প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে। সদ্য শেষ হওয়া ইউপি নির্বাচনে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল রাশেদ কক্সবাজার সদরের জালালাবাদ ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচীত হন। সেই থেকেই তার পদটি পাওয়ার আশায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের অনেকেই দৌড়ঝাপ শুরু করে দিয়েছে।
যদিও ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রে জনপ্রতিনিধি হলে সংগঠনের কোন পদে থাকতে পারবে না এমন কোন কথা সু-স্পষ্টভাবে বলা নেই। তার পরও সংগঠনের একাধীক সদস্যদের দাবি সংগঠনেরে কর্যক্রমের ধারাবাহিকতা ও এর গতী সচল রাখতে যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকে কাউকে সাধারণ সম্পদকের পদে আনা হোক।
সংগঠনের একাধীক কর্মীর সাথে কথা বললে তারা জানান, ইমরুল রাশেদ যেহেতু এখন একজন জনপ্রতিনিধি সুতরাং তার উচিত হবে স্থানীয় জনগনের পাশে থাকা। তার জন্য দুটোই গুরুত্বপূর্ণ পদ তাই যে কোন একটি বেছে নেয়া দরকার। কারন গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে একসাথে কাজ করতে চাইলে কোনটাই ভালভাবে করা যাবে না।
একটি সূত্রে জানাগেছে, ইমরুল রাশেদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে মোট ৯জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে অনেকেই সাধারণ সম্পাদকের পদটি পাওয়ার জন্য দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। যার মধ্যে অন্যতম মোর্শেদ হোসাইন তানিম ও জাহেদুল ইসলাম রুবেল। পদটি পেতে বর্তমানে তারা স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের তোষামদিতে ব্যস্ত।
সূত্রমতে, মোর্শেদ হোসোইন তানিম জেলা ওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান ও কেন্দ্রীয় কিছু নেতার সাথে যোগাযোগ করছেন সম্পাদক পদটির জন্য। আর জাহেদুল ইসলাম রুবেল সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম কনকের সাথে যোগাযোগ রক্ষ করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রলীগের এক সদস্য বলেন, সংগঠন থেকে কেউ জনপ্রতিনিধি হলে যে তার সংগঠন ছাড়তে হবে এমন কোন নিয়ম আমাদের গঠনতন্ত্রের কোথাও উল্লেখ নেই। তবে হ্যাঁ সংগঠন ও কেন্দ্রীয় কমিটি চাইলে সংগঠনের ধারাকে গতিশীল রাখার লক্ষে ইমরুল রাশেদের সাধারণ সম্পাদকের পদটিতে যুগ্ম সম্পাদকের কোন একজনকে দায়িত্ব দেয়া যায়। এবং কাকে দায়িত্ব দেয়া হতে তা কেন্দ্র ও জেলা সভাপতি নির্ধারণ করবেন।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইসতিয়াক আহমদ জয় জানান, যেহেতু গঠনতন্ত্রে এই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই তাই ইমরুল রাশেদ আপাতোত তার নিজ পদে বহাল থাকছেন। তবে কেন্দ্র থেকে পরবর্তীতে এই ব্যপারে সিদ্ধান্ত আসতেও পারে। সংগঠনের কর্যক্রম আরো গতিশীল করার লক্ষে কেন্দ্র চাইলে তার পরিবর্তে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে যে কাউকে উক্ত পদে দায়িত্ব দিতে পারে।


শেয়ার করুন