কক্সবাজারে একসাথে তিন সন্তানের বাবা হলেন বিজিবি সদস্য

IMAG1970এস এম আরোজ ফারুক:  বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের ল্যান্স নায়েক জুলফিকার আলীর স্ত্রী তাছলিমা আক্তার একসাথে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তিন সন্তানের মধ্যে দু’জন ছেলে ও একজন মেয়ে। তিন সন্তানসহ মা বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। কক্সবাজার শহরের সী-সাইড হাসপাতালে ২৭ জুন সোমবার সন্ধ্যা ৭ টায় সিজারের মাধ্যমে তাদের জন্ম হয়। এই গৃহবধুর গাইনি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. শিরিন আক্তার জাহান ও ডা. খাইরুন্নেছা মুন্নী অপারেশন করেন। বর্তমানে শিশুটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. রেজাউল করিম মুন্নু ও বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন ডা. মেহেদি হাসান রবিনের তত্ত্ববধানে রয়েছেন।
সদ্য প্রসব হওয়া শিশুদের পিতা জুলফিকার আলী বলেন, আজ আমার আনন্দের শেষ নেই। আল্লাহ সফলভাবে আমাকে তিন সন্তানের মুখ দেখিয়েছেন। একই সাথে অপারেশনের চিকিৎসক ও পুরো বিজিবি পরিবারের সহযোগিতায় মুগ্ধ হয়েছেন জানিয়ে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রসবের পর পরই সহকর্মীর তিন সন্তানকে দেখতে হাসপাতালে ছুটে আসেন বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল তানভিরুল আলম খান, ১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার। একই সাথে খবর পেয়ে বাচ্চা গুলোকে দেখতে আসেন কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. পুচনু।
১৭ বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্ণেল ইমরান উল্লাহ সরকার বলেন, আজ আমাদের খুব আনন্দের দিন। কক্সবাজারে বিজিবির ইতিহাসে এই প্রথম কোন বিজিবি সদস্যের পরিবারে এক সাথে তিন সন্তান জন্ম নিয়েছে।
বিজিবি কক্সবাজার সেক্টরের মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন ডা. মেহেদি হাসান রবিন জানান, গর্ভে এক সাথে তিনটি বাচ্চা ধারণ করেও মা সুস্থ ছিলেন। সোমবার বিকেলে হঠাৎ ব্যথা অনুভব করলে দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে অবস্থা সংকটাপন্ন হলে পার্শ্ববর্তী সী-সাইড হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে সফলভাবে অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা গুলো জন্ম লাভ করে। দুই ছেলের ওজন হয়েছে দুই কেজি করে এবং মেয়েটার ওজন হয়েছে পৌনে দুই কেজি। মাসহ তারা সবাই সুস্থ্য আছেন।


শেয়ার করুন