মোজা পায়ে দিলেই দুর্গন্ধ হয়? মেনে চলুন ঘরোয়া

ডেস্ক নিউজ
বাসে, ট্রেনে, অফিসে, সিনেমা হলে উত্‍কট গন্ধটা নাকে এলে বড্ড বিরক্তি লাগে আমাদের। মনে হয়, মোজা কেন কাচে না এরা! আচ্ছা, কখনও কি ভেবে দেখেছেন, আপনিও তো মোজা পরেন, আপনার পায়ে কেন এতো গন্ধ ছাড়ে না? আর আপনার যখন এতোটা অসুবিধা হচ্ছে, যার পায়ে ছাড়ছে, তার কেমন লাগছে? একে তো ওই উত্‍কট গন্ধ সহ্য করতে হচ্ছে সবসময়, তার ওপর লোকজনের নাকসিঁটকানি।

সারা বছর মোজা না পায়ে দিলেও শীতে বাধ্য হন অনেকেই। বাইরের ঠান্ডা আবহাওয়ায় শরীরকে গরম রাখতে মোজার ব্যবহার অনস্বীকার্য। কিন্তু অনেকেরই মোজা পরলে পা ঘামে।

মোজায় সারা দিন ভিজে চটচটে ভাব, এ দিকে ঘামের গন্ধের চোটে জুতা খোলারও উপায় নেই। প্রতিদিন বাড়ি ফিরে মোজা খুললেই গন্ধের দায়ে টেকা দায় হয়ে ওঠে। পা ধুলেও এই গন্ধ সব সময় যায় না।

সারা বছর এমন সমস্যার মুখোমুখি হলেও, শীতে তুলনামূলকভাবে পা ঘামে বেশি। ঘাম জমা পায়ে খুব দ্রুত ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাক জন্মায়। ফলে এর থেকে নানা রোগের সৃষ্টি হয়। কিন্তু জানেন কি, খুব সহজেই ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই দুর্গন্ধ দূর করা যায়।

মোজা পরার আগে এর মধ্যে যে কোনও একটি উপায় অবলম্বণ করলেই পায়ে ঘামের সমস্যা কমবে। জেনে নিন সেসব উপায়।

লবণ পানি: মোজা পায়ে দিলেই পা ঘেমে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে নাজেহাল যারা, তাদের জন্য এই উপায় সেরা বিকল্প। বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে ঈষদুষ্ণ লবণ পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন মিনিট ১৫। ছত্রাক রোধ করতে সক্ষম লবণ। ফলে পা ঘামার সমস্যাকে কমিয়ে দেয় অনেকটাই। একটু সময়সাপেক্ষ হলেও পা ঘামার সমস্যা দূর করতে লবণ পানির জুড়ি নেই।

বেকিং সোডা: এর অ্যাসিটিক উপাদান পায়ে ব্যাকটিরিয়া জন্মাতে দেয় না। ঘামকেও ঠেকিয়ে রাখে। তাই মোজা পরার আগে ভালো করে পা ধুয়ে শুকনো করে মুছে নিন। এবার সামান্য বেকিং সোডা নিয়ে ঘষে নিন পায়ের পাতায়। জুতার ভিতরেও খানিকটা বেকিং সোডা ছড়িয়ে নিতে পারেন।

তবে এর সঙ্গে মেনে চলুন কিছু অভ্যাস। প্রতিদিন ব্যবহার করুন পরিষ্কার মোজা। একই মোজা পরপর দু’দিন ব্যবহারের বদভ্যাস তাড়ান। এতেও দুর্গন্ধ দূর না হলে জুতা বদলান। অনেক সময় কমদামি জুতার চামড়া থেকেও দুর্গন্ধ ছড়ায় পায়ে।


শেয়ার করুন


একই রকম আরও কিছু পোস্ট