হালদা নদীতে মা-মাছ যে কোন সময় ডিম ছাড়তে পারে

hhffহালদা নদী থেকে ডিম আহরণের জন্য শত শত রেনু সংগ্রহকারীরা এখন নদী পাড়ে অপেক্ষায় গুনছে। এ দিকে শুক্রবার (৩১ মার্চ) হঠাৎ করে নদীতে ডিম ছেড়েছে বলে জানান ডিম সংগ্রহকারীরা। তবে বড় ধরনের বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢল দেখা দিলে মা-মাছ যে কোন সময় ডিম ছাড়তে পারে এমন জানান হালদার ডিম সংগ্রহকারীরা। ১১ মার্চ রাতে বৃষ্টি দেখা দেয়ায় এর পর থেকে নদীতে মাছ-মাছের আনাগোনা বাড়ছে। বৃষ্টি হলে নদীতে ডিম দেবে এ প্রত্যাশায় অনেকেই ইতিমধ্যে ঝাল,নৌকাসহ যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে নদীর ধারে অপেক্ষায় গুনছেন। আর শুক্রবারে নমুনা ডিম পাওয়ার কারনে এখন নদীর দিকে থাকিয়ে আছেন সবাই। যে কোনো সময় ডিম ছাড়তে পারে বলে জানান উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা। অসাধু কিছু ব্যবসায়ী নমুনা ডিম নিয়ে ব্যবসা শুরু করার প্রায়তারা করছেন বলে জানান মৎস্য বিশেষজ্ঞরা। এ সব প্রচার প্রচারণা থেকে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

সরেজমিন ৩১ মার্চ হালদা নদী এলাকা ঘুরে লোকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান দুপুরের দিকে কিছু ডিমের নমুনা তারা পেয়েছেন তবে বেশি না।নদীতে পুরোপুরি মা-মাছ অবস্থান নিয়েছেন বলে জানান ডিমসংগ্রহকারীরা। বৃষ্টি হলে মা-মাছ ডিম ছাড়বে এইটা নিশ্চিত। হাটহাজারী ও রাউজান উপজেলা আংকুরাঘোনা হাটহাজারী উপজেলার মেখল সুইটগেট,গড়দুয়ারা,মাদার্শা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় অনেকেই নৌকা স্স্কংার করছে তাড়া হুড়ো করে। আবার অনেকেই নৌকায় ঝাল নিয়ে অপেক্ষায় করছেন নদীতে। স্থানীয় লোকজন প্রতি বৎসর অপেক্ষায় থাকেন হালদার রেনুপোনা সংগ্রহ করার আশায়। অনেকেই জানান,নদীতে মা-মাছ আসতে শুরু করেছে আর আবহাওয়া আবস্থা অনেকটা ভালো যার কারনে নদীতে মা-মাছ দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টির অবস্থা ভালো থাকলে নদীতে মা-মাছ ডিম ছাড়তে পারে যার কারনে তাড়া হুড়া করে নৌকার সংস্কারের কাজ শেষ করছি।

এ দিকে নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়ার মৌসুমে যান্ত্রিক নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। হালদা নদীর নাজির হাট থেকে কালুর ঘাট পর্যন্ত সারা বছর মাছ শিকার নিষিদ্ধ করা হয়। হালদার সাথে সংযুক্ত রাউজানের সর্তা খাল, তেলপারই খাল, সোনাইর খাল, কাগতিয়া খাল, ডোমখালী খাল, মগদাই খাল, বইজ্যাখালী খাল, উভলং খাল, হাটহাজারীর বোয়ালিয়া খাল, খন্দকিয়া খালেও মা মাছ ডিম ছাড়ার মৌসুমে মাছ শিকার করা নিষিদ্ধ করা হয়। মা মাছ ডিম ছাড়ার মৌসুমে নদীতে মাছের আনাগোনা দেখা গেলেও মাছ শিকার ও যান্ত্রিক নৌযান চলাচল বন্ধ হয়নি।

নদীর পাড়ের জেলে পরিবাররা জানান,সব কিছু নির্ভর করা হয় বৃষ্টির উপর। বৃষ্টি হলে হয়তো মৌসুমের আগেই মা-মাছ ডিম ছাড়ে। হালদার একাধিক ডিম সংগ্রহকারীদের সাথে কথাা হলে তারা জানান, এখন নদীতে কোন ঢল নেই তবে প্রচুর মা-মাছের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টিতে ঢল দেখা দিলে ডিম ছাড়বে মা-মাছ। তারা প্রতি বছরের মত এবারও সব প্রমÍতি নিয়েছেন বলে জানান ।এ দিকে নদীতে ডিম সংগ্রহকারীরা নৌকাসহ যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অপেক্ষা করছেন ডিম সংগ্রহ করতে। প্রতি বছরের মত এ বছরও ডিম সংগ্রহণ করার জন্য নৌকা নিয়ে নদীতে অপেক্ষায় করছেন। যে কোনো সময় মা-মাছ ডিম ছাড়তে পারে।


শেয়ার করুন


একই রকম আরও কিছু পোস্ট