অমর একুশে গ্রন্থমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

c974c6704549fd08e0b809cdae9cdd73-01-02-17-pm_ekushe-boi-mela-203

অমর একুশের গ্রন্থমেলা উদ্বোধনের পর বিকেলে স্টল ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (বাঁয়ে) ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। ছবি: ফোকাস বাংলাঅমর একুশের গ্রন্থমেলা উদ্বোধনের পর বিকেলে স্টল ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (বাঁয়ে) ও বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান। ছবি: ফোকাস বাংলাপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বুধবার বিকেলে বাংলা একাডেমিতে মাসব্যাপী অমর একুশের গ্রন্থমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
একই সময় তিনি চার দিনব্যাপী ‘আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন ২০১৭’ উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে বাংলা একাডেমি প্রকাশিত মীর মশাররফ হোসেনের অমর সৃষ্টি ‘বিষাদ সিন্ধু’র অনুবাদ ‘ওসেন অব সরো’ এবং ‘হান্ড্রেড পোয়েমস ফ্রম বাংলাদেশ’ বই দুটি তুলে দেওয়া হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
প্রধানমন্ত্রী ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০১৬’ বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। কবিতায় আবু হাসান শাহরিয়ার, কথাসাহিত্যে শাহাদুজ্জামান, প্রবন্ধে মোর্শেদ শফিউল হাসান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সাহিত্যে ড. এম এ হাসান, আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথাবিষয়ক রচনার জন্য নূর জাহান বোস, শিশুসাহিত্যে রাশেদ রউফ এবং অনুবাদে নিয়াজ জামানকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

মেলা উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বইমেলার স্টলগুলো ঘুরে দেখেন এবং লেখক-প্রকাশকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।

এবার একাডেমি চত্বরে ৮০টি প্রতিষ্ঠানকে ১১৪টি ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৩২৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৫৪৯টি ইউনিটসহ মোট ৪০৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৬৬৩টি ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে বাংলা একাডেমিসহ ১৪টি প্রকাশনা সংস্থাকে মোট ৬ হাজার বর্গফুট আয়তনের ১৫টি প্যাভিলিয়ন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একাডেমির প্যাভিলিয়ন রয়েছে দুটি।

এ ছাড়া ১০০ লিটল ম্যাগাজিনকে বর্ধমান হাউসের দক্ষিণ পাশে লিটল ম্যাগাজিন কর্নারে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলায় এবারই প্রথম গুগল ম্যাপের সাহায্যে মেলার যেকোনো স্টল খুঁজে বের করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিশু কর্নারকে এবারও বেশ আকর্ষণীয় করে সাজানো হয়েছে। শিশুদের এ চত্বরটিতে প্রবেশের জন্য আলাদা ফটক রাখা হয়েছে। মাসব্যাপী গ্রন্থমেলায় এবারও শুক্র ও শনিবার থাকছে ‘শিশু প্রহর’।
মেলার আয়োজক বাংলা একাডেমি থেকে জানানো হয়, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে এবারই প্রথমবারের মতো স্টলের ওপরে টিনের ছাউনি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিশু কর্নারে মাতৃদুগ্ধ সেবাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, গ্রন্থমেলা ১ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা এবং একুশে ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।


শেয়ার করুন


একই রকম আরও কিছু পোস্ট